Skip to main content

অনিন্দিতা - অঙ্কুর মজুমদারের প্রেমের বিচ্ছেদের কবিতা

anindita-ankur-mazumder-er-premer-bisseder-kobita

সাঁঝ বেলার আঁধারে আমায় একলা করে
তুমি কোথায় চলে গেলে অনিন্দিতা,
সময় যখন কাটেনা এ মন যখন বোঝেনা
আমি তখন তোমায় খুঁজি অনিন্দিতা,
আঁকাবাঁকা পথের দিকে তোমার পথের দিশা থাকে
সে দিশাই খুঁজি তোমায় অনিন্দিতা, 
রঙিন প্রজাপতির পাখানার ফাঁকে তোমার ছোঁয়া মিশে থাকে
সে ছোঁয়াই খুঁজি তোমায় অনিন্দিতা, 
আমি ছিলাম তোমার পাশে তোমার আকাশ ভালবেসে
সে আকাশে কোথায় তুমি অনিন্দিতা,
বৃষ্টির দিনে দুপুর বেলা মেঘেদের সাথে কাটে একলা
তখন সেই দুপুরে খুঁজি তোমায় অনিন্দিতা,
অশান্ত মন বোঝাই কাকে হারিয়ে চাইছে তোমাকে
এ মনকে ফাঁকি দিয়ে যেওনা তুমি অনিন্দিতা,
নদির শেষে আকাশ নীলে স্বপ্নগুলো মেলে দিলে
তারা বলে সবাই মিলে তুমি কোথায় অনিন্দিতা,
চোখের জলের আড়ালে খেলা শুধুই দেখেছিলে
যন্ত্রণারই আগুন নীলে পুড়েছি আমি অনিন্দিতা,
অভিমানে চুপটি করে এসেছি তাই দূরে সরে 
বোঝাতে চেয়েও পারিনি তাই বোঝাতে অনিন্দিতা,
অচিন এ শহরে সবকিছুর বহরে 
খুজছে এ মন ভীষণ করে তোমায় অনিন্দিতা,
জীবন যখন থমকে দাড়ায় স্বপ্নগুলো দৃষ্টি ছাড়ায়
তৃষ্ণা বুকের বৃষ্টি হারায় অনিন্দিতা,
কল্পনারই আকাশ জুড়ে নানা রঙের লোকের ভিড়ে
দুচোখ বুজেও স্বপ্ননীড়ে আজও তোমায় খুঁজি অনিন্দিতা,
তুমি আমার চোখের ভাষা তুমি আমার সুখের নেশা
তুমি আমার ভালবাসা বুঝলেনা কেন অনিন্দিতা।

 ভালো লাগলে শেয়ার ও কমেন্ট করবেন 

Comments

You May Read Also

যেদিন আমি হারিয়ে যাব - কাজী নজরুল ইসলাম

যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুঁছবে বুঝবে সেদিন বুঝবে। ছবি আমার বুকে বেধে পাগল হয়ে কেঁদে কেঁদে ফিরবে মরু কানন গিরি সাগর আকাশ বাতাশ চিরি সেদিন আমায় খুজবে বুঝবে সেদিন বুঝবে। স্বপন ভেঙ্গে নিশুত রাতে, জাগবে হঠাৎ চমকে কাহার যেন চেনা ছোয়ায় উঠবে ও-বুক ছমকে- জাগবে হঠাৎ ছমকে, ভাববে বুঝি আমিই এসে বসনু বুকের কোলটি ঘেষে ধরতে গিয়ে দেখবে যখন শুন্য শয্যা মিথ্যা স্বপন বেদনাতে চোখ বুজবে- বুঝবে সেদিন বুঝবে। গাইতে গিয়ে কন্ঠ ছিড়ে আসবে যখন কান্না বলবে সবাই- সেই যে পথিক তার শোনানো গান না?- আসবে ভেঙ্গে কান্না, পড়বে মন আমার সোহাগ কন্ঠে তোমার কাদবে বেহাগ পড়বে মনে আমার ফাকি অশ্রুহারা কঠিন আখি ঘন ঘন মুছবে, বুঝবে সেদিন বুঝবে। আবার যেদিন শিউলী ফুলে ভরবে তোমার অঙ্গন তুলতে সে ফুল গাথতে মালা, কাপবে তোমারকঙ্কণ কাদবে কুটির অঙ্গন, শিউলী ঢাকা মোর সমাধি পড়বে মনে উঠবে কাদি বুকের জ্বালা করবে মালা চোখের জলে সেদিন বালা মুখের হাসি ঘুচবে বুঝবে সেদিন বুঝবে। আসবে আবার আশিন হাওয়া, শিশির ছেচা রাত্রি থাকবে সবাই- থাকবে না এই মরন পথের যাত্রীই আসবে শিশির রাত্রি, থাকবে পাশে বন্ধু স

অপেক্ষা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রোমান্টিক প্রেমের কবিতা

সকল বেলা কাটিয়া গেল বিকাল নাহি যায়। দিনের শেষে শ্রান্তছবি কিছুতে যেতে চায় না রবি, চাহিয়া থাকে ধরণী-পানে, বিদায় নাহি চায়। মেঘেতে দিন জড়ায়ে থাকে, মিলায়ে থাকে মাঠে— পড়িয়া থাকে তরুর শিরে, কাঁপিতে থাকে নদীর নীরে, দাঁড়ায়ে থেকে দীর্ঘ ছায়া মেলিয়া ঘাটে বাটে। এখনো ঘুঘু ডাকিছে ডালে করুণ একতানে। অলস দুখে দীর্ঘ দিন ছিল সে বসে মিলনহীন, এখনো তার বিরহগাথা বিরাম নাহি মানে। বধূরা দেখো আইল ঘাটে, এল না ছায়া তবু। কলস-ঘায়ে ঊর্মি টুটে, রশ্মিরাশি চূর্ণি উঠে, শ্রান্ত বায়ু প্রান্তনীর চুম্বি যায় কভু। দিবসশেষে বাহিরে এসে সেও কি এতখনে নীলাম্বরে অঙ্গ ঘিরে নেমেছে সেই নিভৃত নীরে, প্রাচীরে-ঘেরা ছায়াতে-ঢাকা বিজন ফুলবনে? স্নিগ্ধ জল মুগ্ধভাবে ধরেছে তনুখানি। মধুর দুটি বাহুর ঘায় অগাধ জল টুটিয়া যায়, গ্রীবার কাছে নাচিয়া উঠি করিছে কানাকানি। কপোলে তার কিরণ প’ড়ে তুলেছে রাঙা করি। মুখের ছায়া পড়িয়া জলে নিজেরে যেন খুঁজিছে ছলে, জলের’পরে ছড়ায়ে পড়ে আঁচল খসি পড়ি। জলের’পরে এলায়ে দিয়ে আপন রূপখানি শরমহীন আরামসুখে হাসিটি ভাসে মধুর মুখে, বনের ছায়া ধরার চোখে দিয়েছে পাতা টানি। সলিলতলে সোপান-’পরে উদাস বেশবাস

অনুরোধ - জসীমউদ্দীনের প্রেমের কবিতা

তুমি কি আমার গানের সুরের পূবালী বাতাস হবে, তুমি কি আমার মনের বনের বাঁশীটি হইয়া রবে! রাঙা অধরের রামধনুটিরে, ছড়াবে কি তুমি মোর মেঘ-নীড়ে, আমি কি তোমার কবি হব রাণী, তুমি কি কবিতা হবে; তুমি কি আমার মনের বনের বাঁশীটি হইয়া রবে! তুমি কি আমার মালার ফুলের ফিরিবে গন্ধ বয়ে, হাসিবে কি তুমি মোর কপালের চন্দন ফোঁটা হয়ে! তুমি কি আমার নীলাকাশ পরে, ফুটাবে কুসুম সারারাত ভরে, সাঁঝ-সকালের রাঙা মেঘ ধরে অঙ্গে জড়ায়ে লবে; তুমি কি আমার মনের বনের বাঁশীটি হইয়া রবে!  ভালো লাগলে শেয়ার ও কমেন্ট করবেন  আরো পড়ুন 👉  জসীমউদ্দীনের প্রেমের কবিতা