আষাঢ়ে - নিঘাত কারিম | প্রেমের ছন্দ কবিতা | বৃষ্টির কবিতা Skip to main content

আষাঢ়ে - নিঘাত কারিম | প্রেমের ছন্দ কবিতা | বৃষ্টির কবিতা

ashare-nighat-karim-premer-sondo-bristir-kobita-bristi

বৃষ্টি ঝরে উদাস দুপুর 
বর্ষে আষাঢ় একটানা সুর
বাম অলিন্দে শূন্য পুকুর
দাদরা তালে বাজে নূপূর
তুই তো ডাকিস না !!!!

আমি না হয় রবোই দূর
ছড়িয়ে দিবো মগ্নতার সুর
পেখম তুলে মায়া ময়ূর
হারিয়ে যাবো দূর বহুদূর
তুই তো হারাস না !!!!

একদিন তো যাবোই ঝরে
থাকবো না আর মনপুকুরে
ঝরা পাতার সুর মর্মরে
যাবো চলে অচিনপুরে
খুঁজে ও পাবি না !!!!

কবিতাটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন

Comments

Popular posts from this blog

অপেক্ষা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রোমান্টিক প্রেমের কবিতা

সকল বেলা কাটিয়া গেল বিকাল নাহি যায়। দিনের শেষে শ্রান্তছবি কিছুতে যেতে চায় না রবি, চাহিয়া থাকে ধরণী-পানে, বিদায় নাহি চায়। মেঘেতে দিন জড়ায়ে থাকে, মিলায়ে থাকে মাঠে— পড়িয়া থাকে তরুর শিরে, কাঁপিতে থাকে নদীর নীরে, দাঁড়ায়ে থেকে দীর্ঘ ছায়া মেলিয়া ঘাটে বাটে। এখনো ঘুঘু ডাকিছে ডালে করুণ একতানে। অলস দুখে দীর্ঘ দিন ছিল সে বসে মিলনহীন, এখনো তার বিরহগাথা বিরাম নাহি মানে। বধূরা দেখো আইল ঘাটে, এল না ছায়া তবু। কলস-ঘায়ে ঊর্মি টুটে, রশ্মিরাশি চূর্ণি উঠে, শ্রান্ত বায়ু প্রান্তনীর চুম্বি যায় কভু। দিবসশেষে বাহিরে এসে সেও কি এতখনে নীলাম্বরে অঙ্গ ঘিরে নেমেছে সেই নিভৃত নীরে, প্রাচীরে-ঘেরা ছায়াতে-ঢাকা বিজন ফুলবনে? স্নিগ্ধ জল মুগ্ধভাবে ধরেছে তনুখানি। মধুর দুটি বাহুর ঘায় অগাধ জল টুটিয়া যায়, গ্রীবার কাছে নাচিয়া উঠি করিছে কানাকানি। কপোলে তার কিরণ প’ড়ে তুলেছে রাঙা করি। মুখের ছায়া পড়িয়া জলে নিজেরে যেন খুঁজিছে ছলে, জলের’পরে ছড়ায়ে পড়ে আঁচল খসি পড়ি। জলের’পরে এলায়ে দিয়ে আপন রূপখানি শরমহীন আরামসুখে হাসিটি ভাসে মধুর মুখে, বনের ছায়া ধরার চোখে দিয়েছে পাতা টানি। সলিলতলে সোপান-’পরে উদাস বেশবাস

দুর্বোধ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের দুঃখের কবিতা

তুমি মোরে পার না বুঝিতে? প্রশান্ত বিষাদভরে দুটি আঁখি প্রশ্ন ক'রে অর্থ মোর চাহিছে খুঁজিতে, চন্দ্রমা যেমন ভাবে স্থিরনতমুখে চেয়ে দেখে সমুদ্রের বুকে। কিছু আমি করি নি গোপন। যাহা আছে সব আছে তোমার আঁখির কাছে প্রসারিত অবারিত মন। দিয়েছি সমস্ত মোর করিতে ধারণা, তাই মোরে বুঝিতে পার না? এ যদি হইত শুধু মণি, শত খণ্ড করি তারে সযত্নে বিবিধাকারে একটি একটি করি গণি একখানি সূত্রে গাঁথি একখানি হার পরাতেম গলায় তোমার। এ যদি হইত শুধু ফুল, সুগোল সুন্দর ছোটো, উষালোকে ফোটো-ফোটো, বসন্তের পবনে দোদুল, বৃন্ত হতে সযতনে আনিতাম তুলে-- পরায়ে দিতেম কালো চুলে। এ যে সখী, সমস্ত হৃদয়। কোথা জল, কোথা কূল, দিক হয়ে যায় ভুল, অন্তহীন রহস্যনিলয়। এ রাজ্যের আদি অন্ত নাহি জান রানী-- এ তবু তোমার রাজধানী। কী তোমারে চাহি বুঝাইতে? গভীর হৃদয়-মাঝে নাহি জানি কী যে বাজে নিশিদিন নীরব সংগীতে-- শব্দহীন স্তব্ধতায় ব্যাপিয়া গগন রজনীর ধ্বনির মতন। এ যদি হইত শুধু সুখ, কেবল একটি হাসি অধরের প্রান্তে আসি আনন্দ করিত জাগরূক। মুহূর্তে বুঝিয়া নিতে হৃদয়বারতা, বলিতে হত না কোনো কথা। এ যদি হইত শুধু দুখ, দুটি বিন্দু অশ্রুজল দুই চক্ষে ছলছল, বিষণ্ণ অধর, ম্লান মু

পিছু ডাক - কাজী নজরুল ইসলামের ভালোবাসার কষ্টের কবিতা

সখি! নতুন ঘরে গিয়ে আমায় পড়বে কি আর মনে? সেথায় তোমার নতুন পূজা নতুন আয়োজনে। প্রথম দেখা তোমায় আমায় যে গৃহ-ছায় যে আঙিনায়, যেথায় প্রতি ধূলি-কণায় লতাপাতার সনে — নিত্য চেনার বিত্ত রাজে চিত্ত-আরাধনে, পুণ্য সে ঘর শূন্য এখন কাঁদছে নিরজনে। । সেথা তুমি যখন ভুলতে আমায়, আসত অনেক কেহ তখন আমার হয়ে অভিমানে কাঁদত যে ঐ গেহ। যেদিক পানে চাইত সেথা বাজত আমার স্মৃতির ব্যাথা, সে গ্লানি আজ ভুলবে হেথা নতুন আলাপনে। আমিই শুধু হারিয়ে গেলাম হারিয়ে-যাওয়ার বনে। । আমার এতদিনের দূর ছিল না সত্যিকারের দূর, ওগো আমার সুদূত করত নিকট ঐ পুরাতন পুর। এখন তোমার নতুন বাঁধন, নতুন হাসি নতুন কাদন নতুন সাধন, গানের মাতন নতুন আবাহনে। আমারই সুর হারিয়ে গেল সুদূর পুরাতনে। । সখি! আমার আশাই দুরাশা আজ, তোমার বিধির বর, আজ মোর সমাধির বুকে তোমার বাসর-ঘর। শূন্য ভরে শুনতে পেনু ধেনু-চরা বনের বেনু— হারিয়ে গেনু হারিয়ে গেনু অন্ত-দিগঙনে। বিদায় সখি, খেলা-শেষ এই বেলা-শেষের খনে। এখন তুমি নতুন মানুষ নতুন গৃহকোণে। । কবিতাটি ভালো লাগলে শেয়ার  করবেন